পরিষেবার অভাবে মৃত্যুর এক রোগীর

স্যন্দন প্রতিনিধি। আগরতলা। ১ মে : সঠিক পরিষেবার অভাবে মৃত্যু এক রোগীর। রোগীর পরিজনেরা হাসপাতাল চত্বর দেখায় বিক্ষোভ। রোগীর পরিজনদের কাছ থেকে জানা যায়, তপন কুমার দাস বৃহস্পতিবার শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ায় জিবি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল।প্রাকৃতিক কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে পড়েন তপন কুমার দাসের। চিকিৎসক রোগীর শারীরিক অবস্থা দেখে বেশ কয়েকটি ঔষধ লিখে দিয়ে যান।

কিন্তু শারীরিক অবস্থা ক্রমাগতই অবনতি হতে থাকে তপন কুমার দাসের। পরবর্তী সময়ে শুক্রবার চিকিৎসক তপন কুমার দাসকে কিছু শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা লিখে দেন। সে মোতাবেক শনিবার সকালে সোনোগ্রাফি করতে নেওয়া হয় সোনোগ্রাফি বিভাগে। কিন্তু সেখানে যখন মৃত্যু কোলে ঢলে পড়ছিল তপন কুমার দাস, তখনও কোন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী ছুটে আসেন নি। মৃতের পরিজনেরা আশপাশে চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের বহুবার আর্জি জানানো হলেও কোন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মী ছুটে আসেন নি। পরবর্তী সময় মৃত্যু হয় রাজধানীর জ্যোতির্ময় কলোনির বাসিন্দা তপন কুমার দাসের বলে অভিযোগ মৃতের ভাইয়ের। তারা জানান, জিবি হাসপাতাল রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতাল বটে। কিন্তু পরিষেবার দিকে একেবারে তলান্নিতে গিয়ে ঠেকেছে। রোগীর কোন ধরনের পরিষেবা মিলছে না হাসপাতালে। রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর রোগীর বিভিন্ন ওষুধপত্র সহ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হাতে গ্লাভস পর্যন্ত রোগীর পরিবার পরিজনদের খুচরো দোকান থেকে কিনে দিতে হয়েছে। এবং চিকিৎসক স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত হাসপাতালের ওয়ার্ড গুলি পরিদর্শন করে না বলে রোগী পরিজনদের অভিযোগ।

সংকটজনক রোগী দেখে বুঝেও চিকিৎসক কোন ধরনের পরিষেবা দিতে চায় না বলে অভিযোগ। বিষয়টি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায় এদিন রোগীর পরিজনেরা। রাজ্যের বর্তমান সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায় রোগীর পরিজনেরা। কারণ রাজ্য সরকার প্রায়ই বলে থাকে রাজ্যকে চিকিৎসার হাব বানাবে। প্রধান রেফারেল হাসপাতাল এবং দ্বিতীয় রেফারেল হাস্পাতাল থেকে রোগী ও রোগীর পরিজনদের অভিযোগ দেওয়ালের কান পাতলে শোনা যায়। কিন্তু তিন বছরে রাজ্যের ৩৭ লক্ষ মানুষ স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কি পেয়েছে তা নিয়ে উঠে প্রশ্ন।