ডবল মিউট্যান্ট এবার রাজ্যে

 

 

স্যন্দন প্রতিনিধি। আগরতলা। ২৯ এপ্রিল : ডবল মিউট্যান্টের জন্য বহিঃ রাজ্যে ১৯ টি নমুনা পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ১১ টি ডবল মিউট্যান্ট পাওয়া গেছে। ৫ টি ইউ কে ভেরিয়ান্ট, ১ টি সাউথ আফ্রিকান ভেরিয়ান্ট পাওয়া গেছে। তবে বাজিলিয়ান ভেরিয়ান্ট শনাক্ত হয়নি। বৃহস্পতিবার এ এম সি কনফারেন্স হলে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা জানান স্বাস্থ্য দপ্তরে আধিকারিক দ্বীপ কুমার দেববর্মা সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত হলো গত ২৪ ঘন্টায় ১৬৬ জন।

নমুনা পরীক্ষা হয় ৫০৭৫ জনের। গত বুধবার সংক্রমণের হার ২.৭০, বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.২৭। গত ২৪ ঘন্টায় পশ্চিম জেলায় সংক্রমনের সংখ্যা ৯৮ জন, গোমতী জেলা ৫ জন, ধলাই জেলা ১৯ জন, সিপাহীজলা জেলা ৩ জন, উত্তর জেলা ১১ জন, ঊনকোটি জেলা ২০ জন। এদিন সুস্থ হয়েছেন ৫০ জন। বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০২০ জন। হোম আইসোলেশনে রয়েছে ৮৪১ জন। এ জি এম সি কোভিড সেন্টারে রয়েছে ৫২ জন রোগী, আইএলএস হাসপাতালে রয়েছে ৩০ জন রোগী, শালবাগান বিএসএফ কোভিড সেন্টারের রয়েছে ৩৬ জন, ক্যাম্পের বাজার পি আর টি আই সেন্টারে রয়েছে ১৮ জন, আমবাসা কোভিড সেন্টারে রয়েছে ১৯ জন রোগী এবং উত্তর জেলার কোভিড সেন্টারে রয়েছে ১৬ জন রোগী। রোগী সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিশেষ ট্রেন চেন্নাই, দিল্লি, মহারাষ্ট্র এবং ব্যাঙ্গালোর থেকে যেসব ট্রেন রাজ্যে আসবে সমস্ত যাত্রীদের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। এবং যারা আসবে তাদের সাতদিন কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকতে হবে। বিমান এবং সড়ক পরিবহন ক্ষেত্রেও একই ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বহিঃরাজ্য থেকে আসা প্রত্যেকের বাড়ির সামনে বিগত বছরের মতো পোস্টার ঝুলানো থাকবে। এখন পর্যন্ত ১৬ টি কোভিড ডেডিকেটেড সেন্টার খোলা হয়েছে। ১৪৬৭ ব্যাডের ব্যবস্থার জন্য পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এদিন স্বাস্থ্য দপ্তরে আধিকারিক এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রাধা দেববর্মা।