টুইট বিতর্কে এবার বিপাকে মর্গ্যান , জস বাটলারের ! তদন্ত শুরু করল ইসিবি

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ৯ জুন : আট বছর আগের করা বর্ণবিদ্বেষী টুইটের জন্য যদি এখন অলি রবিনসন নির্বাসিত হতে পারেন, তাহলে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি, বাকিদের কেন রেয়াত করবে! এই মর্মেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে। যার ফলে নেটাগরিকরা বর্তমান ইংরেজ ক্রিকেটারদের পুরনো টুইট খুঁজে এনে তাঁদের বিদ্ধ করতে শুরু করেছেন। আর এতেই নাম জড়িয়ে গিয়েছে ইংল্যান্ডের ক্যাপ্টেন অইন মর্গ্যান  ও তাঁর ডেপুটি জস বাটলারের । 

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিক্রিয়া দেখে আর চুপ করে থাকতে পারেনি ইসিবি। মর্গ্যান ও বাটলারকে নিয়ে তদন্ত শুরু করল তারা। মর্গ্যান ও বাটলারের টুইট স্ক্রিনশট সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, তাঁরা ভারতীয়দের বিদ্রুপ করে 'স্যার' বলে অভিহিত করেছেন। ইচ্ছা করেই ভাঙা ভাঙা ইংরাজি শব্দ লিখেছেন তাঁরা। নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তি ব্র্যান্ডন ম্যাকালামও একই ভাবে ভারতীয়দের বিদ্রুপ করেছেন।

ইসিবি-র এক মুখপাত্র এই প্রসঙ্গে বলেন, "গত সপ্তাহে আমাদের আপত্তিকর টুইটের ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। একাধিক পুরনো সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জন্য প্রকাশ্যে মানুষ প্রশ্নও করছেন। "আমাদের খেলায় কোনও বৈষম্য নেই। আমরা দরকারে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর। এখন যা বোঝা যাচ্ছে একটি একটি ঘটনা নয়। ইসিবি প্রতিটি পুরনো টুইট ধরে ধরে আলোচনা করবে। সব তথ্য দেখেই সকলের ব্যক্তিগত ভাবে বিচার হবে। এরপরেই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ জানাব।"২০১২ ও ২০১৩ সালে বর্ণবিদ্বেষী ও যৌনতা বিষয়ক টুইট করেছিলেন রবিনসন। তখন তাঁর বয়স ছিল ২১। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে লর্ডসে টেস্ট অভিষেক করেন রবিনসন। আর সেদিনই তাঁর করা সেই পুরনো টুইট নেটমাধ্যমে ফের ভেসে ওঠে। এরপর ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ECB) রবিনসনের বিরুদ্ধে ওঠা বর্ণবিদ্ধেষের অভিযোগের তদন্তে নামে। যতদিন না তদন্ত শেষ হচ্ছে ততদিন রবিনসন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসিবি।