জিবির ইমারজেন্সি বিভাগের রাস্তার ভগ্ন দশা, ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে ক্যাজুয়েল কর্মীরা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ২১জুলাই : একদিকে জিবির ইমারজেন্সি বিভাগের রাস্তার ভগ্ন দশা অন্যদিকে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে জিডিএ স্টাফদের। কোন সামগ্রী দেওয়া হয় না তাদের। করোনাকালে গ্লাভস ছাড়াই টানতে হয় করোনা রোগীদের।দেওয়া হয়না স্যানিটাইজার,সাবান। মান্ধতা আমলের ট্রলি দিয়ে টানতে হয় রোগী। রাস্তা খারাপ থাকার কারনে ট্রলি দিয়ে রোগী টানতে পারেন না জিডিও কর্মীরা।

চারটি সিফটে কাজ করতে হয় ক্যাজুয়েল কর্মীদের। প্রতিটি সিফটে ছয় থেকে সাত জন কর্মী। করোনা আক্রান্ত রোগীদের পাশাপাশি বিষের রোগীও তাদের টানতে হয়। উপর থেকে নামাতে হয়।আবার উপরে তুলতে হয়। পিপিইকিট তো দুরের কথা নুনতম গ্লাভস পর্যন্ত দেওয়া হয় না। করোনা রোগীদের প্রতিরোধক ব্যাবস্থা ছাড়াই এক রুম থেকে অন্য রুমে নিয়ে যায় ক্যাজুয়াল কর্মীরা। বেতন ভাতাও একেবারে কম। ক্যাজুয়াল কর্মীদের অভিযোগ তারা মুল্যবৃদ্ধির বাজারে ছয় থেকে সাত হাজার টাকা বেতন পান। এত কম টাকায় কিভাবে তারা সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছেন তারা।বহুবার কতৃপক্ষকে বলেছেন তারা।কিন্তু কোন কাজ হয়নি। আজ পর্যন্ত বাড়েনি তাদের বেতন ভাতা। নুন্যতম স্বাস্থ সামগ্রী পর্যন্ত দেওয়া হয় না। বুধবার ক্যাজুয়্যাল কর্মীরা তাদের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন রাস্তা খারাপ থাকার কারনে অনেক সময় রোগীর  লাগানো অক্সিজেন খুলে যায়। আবার রোগীর আত্মীয় স্বজনরা তাদের উপর ভরসা রাখতে নারাজ। অক্সিজেন নল লাগাতে ডেকে আনতে হয় ডাক্তার বা নার্স দের। জিবির ইমারজেন্সি বিভাগে যাওয়ার রাস্তা দীর্ঘ দিন ধরে বেহাল। অটো চালক রাও রোগী নিয়ে ইমারজেন্সি বিভাগের কাছে যেতে পারেন না। জিবির স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নত বলে দাবি করে সরকার।তেমনি পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা বলা হয়। কিন্তু সাধারন মানুষ রাস্তার বেহাল দশার খেসারত দিচ্ছেন। জিবি হাসপাতালে নেই প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সামগ্রী। নুন্যতম সবান পর্যন্ত নেই। স্যানিটাইজার ও ঠিক ভাবে দেওয়া হয় না বলে ক্যাজুয়েল স্টাফরা অভিযোগ করেছেন।

আগরতলা জিবি হসপিটালে ইমারজেন্সি বিভাগে কেজুয়েল স্টাফদের মাক্স স্যানিটাইজার ও সাবান দিচ্ছেনা জিবি কর্তৃপক্ষ এ ধরনের অভিযোগ তুললেন জিবি ইমারজেন্সি বিভাগের কেজুয়েল স্টাফরা পাশাপাশি এটাও দাবি উঠেছে ইমারজেন্সি বিভাগের রাস্তা বেহাল দশা ট্রলি দিয়ে কোন ভাবে রোগী আনা-নেওয়া করা যাইনা বলে অভিযোগ করেছে।