চৈত্র মেলায় বসা হকাররা ক্ষতির সম্মুখীন

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ৮ এপ্রিল : আগরতলা পুর নিগমের সেন্ট্রাল জোন কর্তৃপক্ষের সাথে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে চৈত্র মেলা। কিন্তু মেলায় বসে ক্রেতার দেখা পাচ্ছে না বিক্রেতারা। গত দুই দিনে সম্পূর্ণভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন চৈত্র মেলায় বসা ব্যবসায়ি অর্থাৎ হকারেরা।বিগত বছরগুলিতে তারা শকুন্তলার রোড সহ শহরের প্রাণকেন্দ্র পোস্ট অফিস চৌমুহনি এবং কামান চৌমুহনি এলাকায় রাস্তা বেদখল করে চৈত্র মেলা করত হকাররা। কিন্তু বিগত বছর রাজ্যে লকডাউনের জন্য কোনরকম চৈত্র মেলার অনুমতি দেয় নি প্রশাসন। চলতি বছরও মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে সংক্রমণের ছোঁয়া। আগরতলা পুর নিগম সেন্ট্রাল জোন বহু চিন্তাভাবনা করে শকুন্তলার রোডের বিকল্প হিসেবে শিশু উদ্যানে চৈত্র মেলা বসার অনুমতি দিয়েছে। দ্বিগুণ মূল্যে জমি ভাড়া নিয়ে প্রশাসনের অনুমতি পেয়ে হকাররা ব্যবসা করতে বসে শিশু উদ্যানে।

কিন্তু লাভের মুখ দেখা তো দূরের কথা, হকাররা ক্রেতাদের দেখাই পাচ্ছে না বলে অভিযোগ হকারদের। হকারেরা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয় জানায়, তারা শিশু উদ্যানে মেলা নিয়ে বসার আগে শকুন্তলার রোড এলাকায় মেলা নিয়ে বসার বহু চেষ্টা করেছিল। কিন্তু প্রশাসনিক অনুমতি না পেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া নিয়ে বসতে হয়েছে তাদের শিশু উদ্যানেই। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে হকাররা শিশু উদ্যানে ভাড়া নিয়ে বসার পর শকুন্তলার রোড এলাকায় কিছু ব্যবসায়ি বসে ব্যবসা করছে। ফলে ক্রেতারা শিশু উদ্যানে চৈত্র মেলায় আসতে চাইছে না। শকুন্তলার রোড এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চৈত্র মেলা সেরে নিচ্ছে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে বসে থাকলেও হকারদের সামগ্রী বিক্রি করতে দুপুর ঘনিয়ে এসেছে বলে জানান হকারেরা। লক্ষ লক্ষ টাকার সামগ্রী কিনে চৈত্র মেলায় বসেছে তারা। ক্রেতার দেখা না পেলে বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা। পাশাপাশি আরও জানায়, বিগত বছর হকাররা চৈত্র মেলায় বসতে পারে নি, আরে বছরের যদি তাদের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় তাহলে পরিবার পরিচালনা করা অসাধ্যকর হয়ে পড়বে বলে জানান তিনি।