কোভিড: জাপানে ত্রাণের অর্থ দিয়ে স্কুইডের মূর্তি তৈরি

 
 
স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ৪ মে : কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে জরুরি ত্রাণের জন্য বরাদ্দ তহবিলের অর্থ দিয়ে বিশাল এক স্কুইডের মূর্তি বানিয়ে সমালোচানার মুখে পড়েছেন জাপানের নোতো শহর কর্তৃপক্ষ।বিবিসি জানায়, ৪৩ ফুট দৈর্ঘ্যের ওই মূর্তিটি পোর্ট অব নোতো তে বসানো হয়েছে। যেটি বানাতে প্রায় আড়াই কোটি ইয়েন (২ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার) খরচ হয়েছে। এই অর্থের পুরোটাই জরুরি ত্রাণ তহবিল থেকে নেওয়া।এর কারণ ব্যাখ্যায় নোতো কর্তৃপক্ষ স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছে, মহামারীর পর পর্যটকদের ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এটি বানানো হয়েছে।জাপানে নতুন করে কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। রাজধানী টোকিওতে বর্তমানে জরুরি অবস্থা চলছে। মহামারী শুরুর পর এই নিয়ে তৃতীয় দফায় টোকিওতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

জাপানের মধ্যপশ্চিম উপকূলের ইশিকাওয়া অঞ্চলের ছোট্ট শহর নোতো মাছের জন্য বিখ্যাত। নোতো শহরে করোনাভাইরাস সংক্রমণ তেমন একটা হয়নি। তবে এই মাহমারীর কারণে বিশ্বজুড়ে পর্যটন প্রায় বন্ধ হওয়ার জোগাড়, যার ধাক্কা নোতো শহরেও লেগেছে।ইয়াহু জাপান এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত ‍অর্থনীতির গতি ফেরাতে সরকার থেকে বিভিন্ন অঞ্চলের জন্য ত্রাণ হিসেবে যে জরুরি অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে সেখান থেকে ৮০ কোটি ইয়েন (৭৩ লাখ মার্কিন ডলার) বরাদ্দ পেয়েছে নোতো শহর।কিন্তু এই অর্থ সরাসরি কোভিড ত্রাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। তাই বলে একটি মূর্তি তৈরিতে এত অর্থ অপচয় করার জন্য অনেকেই নোতো শহর কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করেছেন। বিশেষ করে এখনও যেখানে এই মহামারী শেষ হয়নি।স্থানীয় এক বাসিন্দা স্থানীয় একটি পত্রিকাকে বলেন, হয়ত দীর্ঘ মেয়াদে এই মূর্তি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কিন্তু ওই অর্থ চিকিৎসা কর্মী এবং হাসপাতাল বা ক্লিনিকের দীর্ঘ মেয়াদে উন্নয়নের মত ‘জরুরি সহায়তায়’ ব্যয় করা যেত।