করোনায় সংক্রমিত ৬৫৮, মৃত্যু ৫

স্যন্দন প্রতিনিধি। আগরতলা। ১০ জুন : কারফিউ চতুর্থ পর্বের ঘোষণা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ। সরকার প্রথম এবং দ্বিতীয় করোনা কারফিউ পর্ব ঘোষণা করেও মৃত্যুর মিছিল থামাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। লাগামহীনভাবে সংক্রমণের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। কিন্তু মৃত্যুর হার এবং সংক্রমণের হার ঠেকাতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সংক্রমনের চেইন। সংক্রমনের চেইন ভাঙতে সরকারকে প্রথম থেকেই ১৪+১৪ সম্পূর্ণরূপে লকডাউনের অভিমত দিয়ে আসছিল রাজ্যের বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু অভিজ্ঞ সরকার সেই পথে হাঁটতে রাজি ছিল না। করোনা কারফিউ নামে ধারাবাহিকভাবে এগোচ্ছে সরকার মহল। কিন্তু নির্দিষ্ট একটা সময় বাজার হাট খোলা রাখাতে বাজার হাটে বাড়ছে ভিড়। কে শুনে কার কথা। সকাল থেকে বাজার হাটে বাড়ছে ভিড়। সরকারি নির্দেশিকা বগলদাবা করে যে যার মতো করে ছুটছে। নির্দিষ্ট একটা সময় বাজার হাটখোলা থাকায় ভিড় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চলেছে। থাকছে না কোন রকম সামাজিক দূরত্ব। সরকারি নির্দেশিকা কলাপাতা বলে পরিচয় দিচ্ছে অসচেতন মানুষ। প্রশ্ন উঠছে কবে ভাঙবে সংক্রমনের চেইন। হাসপাতালগুলিতে বাড়ছে ভিড়। বৃহস্পতিবার সরকারি পলিটেকনিক প্রকাশ হয় গত ২৪ ঘন্টায় ১৪,৮৭৩ জনের নমুনা পরিক্ষা করে ৬৫৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। মৃত্যু হয় গত ২৪ ঘন্টায় ৫ জনের। সুস্থ হয় ৮৫০ জন।

 সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়ায় ৮৯.৯০ শতাংশ। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৫,২০৩ জন। তবে সংক্রমনের পরিসংখ্যান পশ্চিম জেলায় অধিক। পশ্চিম জেলায় সংক্রমিত হয় নতুন করে ২৭৪ জন, গোমতী জেলায় ৪৯ জন, খোয়াই জেলায় ৬৫ জন, ধলাই জেলায় ৩৫ জন, সিপাহীজলা জেলায় ৪৮ জন, উত্তর জেলায় ৩৬ জন, ঊনকোটি জেলা ৭৬ জন এবং দক্ষিণ জেলায় ৭৫ জন। এদিকে বৃহস্পতিবার ভ্যাকসিনের আওতায় আসে ২২১৯ জন সুবিধাভোগী। ৪৫ ঊর্ধ্বে থেকে ৫৯ বছর পর্যন্ত ১৬৮৮ জন এবং ৬০ ঊর্ধ্বে ৩২৩ জন সুবিধাভোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয় বলে স্বাস্থ্য দপ্তরে বুলেটিনে প্রকাশ।