ঈদের জামাতে করোনা থেকে মুক্তির প্রার্থনা

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ২১জুলাই : করোনা মহামারির মধ্যে  আরেকটি ঈদ। বুধবার  পবিত্র ঈদুল আজহা। ত্যাগের মহিমায় সারা দেশে উদ্‌যাপিত হয় দিনটি।পবিত্র ইদুজ্জোহা  উপলক্ষে আগরতলা গেদু মিয়া মসজিদ ( শিবনগর ) ঈদগাঁ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের নামাজ।

করোনা বিধি মেনে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনা কয়েক মুসলিম ধর্মাবলম্বী সামাজিক দুরত্ব মেনে নামাজ আদায়ে অংশ নেন। নামাজ আদায় করেন   মৌলানা আব্দুর রহমান।শান্তি কামনার পাশাপাশি এবার মোনাজাতে করোনা থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা  করা হয়। এবার ঈদের চিরচেনা রূপ দেখা যায়নি।  তবে ঈদে নতুন জামাকাপড় পরে মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বের হতে ও তেমন দেখা যায়নি।নামাজ আদায়ের পর মৌলনা আবদুর রহমান ঈদের মাহাত্ম্য তুলে ধরেন।তিনি বলেন, আরবি আজহা এবং কোরবান উভয় শব্দের অর্থ হচ্ছে উত্সর্গ। কোরবানি শব্দের উত্পত্তিগত অর্থ হচ্ছে আত্মত্যাগ, আত্মোৎসর্গ, নিজেকে বিসর্জন, নৈকট্য লাভের চেষ্টা, অতিশয় নিকটবর্তী হওয়া প্রভৃতি।

মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে কোরবানির রেওয়াজ। তিনি বলেন, ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ, উল্লাস। এই ঈদের দিনে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের সার্মথ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি করেন। পশুর মাংস বিলিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ত্যাগের মানসিকতা তৈরি হয়। এতে সৌভাতৃত্ববোধের বার্তা দেওয়া হয়। কোভিড পরিস্থিতি শীঘ্র কাটিয়ে উঠার প্রার্থনা করা হয়।