স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২ ডিসেম্বর :ত্রিপুরার সিপাহী জেলা জেলার দুই জনকে গাঁজা পাচারের দায়ে বারো বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করল আসামের শ্রীভূমি জেলা ও দায়রা জজ আদালত। সাজা প্রাপ্তরা হলো সুজন মিয়া, বাড়ি সিপাহীজলা জেলার সোনামুড়া এলাকায় ও সহচালক ইমদাদুল হক, বয়স ২৮ বছর, বাড়ি সিপাহীজলা জেলার সুনামোড়ার সোনাপুর গ্রামে।তাদের বিরুদ্ধে রায় প্রদানকারী বিচারকের নাম আবু সালেহ বদরূজ্জা লস্কর। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এএসবি লস্কর এই দুই অভিযুক্তকে বারো বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডিত করার পাশাপাশি নগদ দেড় লক্ষ টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেন।
অনাদায়ে অতিরিক্ত আরও ছয় মাসের কারাবাসের সাজা ঘোষণা করেন। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১১ নভেম্বর সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ টি.আর ০১ বি ১৭৪৭ নম্বরের গাঁজা বুঝাই লরি নিয়ে ত্রিপুরা থেকে যাওয়ার সময় আসামের বাজারিছড়া থানাধীন চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টে পৌছালে গাড়িটিতে তাল্লাশি করে পুলিশ। গাড়িটির হুড থেকে প্রায় ৬৯ পেকেট গাঁজা উদ্ধার হয়। গাঁজাগুলির ওজন ছিল ৪০৪ কেজি। এতে পুলিশ গাড়ির চালক এবং সহ চালককে আটক করে। পুলিশ ধৃতদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনের ২০(বি)(টু)(সি)/২৫/২৯ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে। এতে মহামান্য আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তদের ঠাই হয় জেল হাজতে। এ মর্মে সরকারি আইনজীবী মুকুন্দলাল কৈরি সোমবার সংবাদ মাধ্যমের কাছে মামলার বিস্তৃত বিবরণ তুলে ধরতে গিয়ে জানান, আদালতের বিচার প্রক্রিয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যাবতীয় অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তবে লরি মালিকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তিনি বলেন, মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় মোট ছয় জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা ও দায়রা জজের আদালতে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনের ২০(বি)(টু)(সি)ধারা প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরে ১২ বছরের কারাবাসের সাজা ঘোষনা করেন বিচারক। এই মামলায় অভিযুক্তদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী বিধান ভট্টাচার্য।

