বাড়িরাজ্যমন্ত্রী সুধাংশু দাস এবং মন্ত্রীর ভাগ্নের বিরুদ্ধে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন প্রাক্তন...

মন্ত্রী সুধাংশু দাস এবং মন্ত্রীর ভাগ্নের বিরুদ্ধে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন প্রাক্তন বিধায়কের

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৯ জুন :সুশাসন জামানায় মৎস্য দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস এবং মন্ত্রীর ভাগ্নের বিরুদ্ধে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন প্রাক্তন বিধায়ক সুধন দাস। সরকারি উন্নয়নমূলক কাজ লুটেপুটে খাওয়ার বিষয় নজরে এসেছে বলে দাবি করলেন তিনি। মঙ্গলবার কুমারঘাটে মৎস্যজীবীদের উন্নয়নের চিত্র দেখতে গিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ হয়ে যায় প্রাক্তন বিধায়ক সুধন দাসের নেতৃত্বে থাকা প্রতিনিধি দলের।

 পরে সাংবাদিক সম্মেলন করে জবাব চাইলেন প্রাক্তন বিধায়ক। এদিন তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতি এবং মৎস্যজীবী ইউনিয়নের উদ্যোগে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে সুধন দাস বলেন, কুমারঘাটের কাঞ্চনবাড়ি স্থিত বলাই বাজারে একটি জলাশয়ের জন্য ২৯ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকার কাজ ধরা হয়। এই কাজের ৩ ভাগের একভাগ কাজ করার আগেই মন্ত্রীর ভাগ্নে নির্মল দাস কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে বলে এলাকায় ঘোষণা দিয়েছেন। অথচ স্থানীয়দের কাছে প্রতিশ্রুতি ছিল সেখানে একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হবে, একটি সুইচগেট নির্মাণ করা হবে এবং জল নিষ্কাশনের জন্য সঠিক বন্দোবস্ত করার পাশাপাশি রাস্তা নির্মাণ করা হবে। এগুলি কোন কিছুই না করে কাজের সমাপ্তি ঘোষনা করলেন মন্ত্রীর ভাগ্নে নির্মল দাস। এর প্রতিবাদে কেউ মুখ খোলার সাহস পর্যন্ত পাচ্ছে না। অপরদিকে কুমারঘাট জগন্নাথপুরে গিয়ে মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সেখানেও প্রায় ১১ লক্ষ ২৪ হাজার লক্ষ টাকার কাজের মধ্যে মাত্র এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা ব্যয় করে কাজ হয়ে গেছে বলে জানিয়ে দিয়েছেন। এই কাজের সঙ্গেও জড়িত মন্ত্রীর ভাগ্নে নির্মল দাস।

 এগুলি শুধুমাত্র কুমারঘাটে নয়, সারা রাজ্যে চলছে। দিন দিন দুর্নীতির তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বিষয়টি নিয়ে মৎস্য দপ্তরের অধিকর্তার সঙ্গে সাক্ষাত করলে তিনিও কোন সদুত্তর পারেন নি। দপ্তরের অধিকর্তা বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছেন। তাই সংগঠনের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আগামী দিন সারা রাজ্যে মৎস্যজীবী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকে নিয়ে আন্দোলন সংঘটিত করার। এবং দাবি তোলা হবে যাতে অভিযুক্ত মন্ত্রী এবং মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হয় এবং আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো মন্ত্রী সুধাংশু দাস আগেই সোর্স মানির কথা স্বীকার করেছিলেন। তারা নাকি এই সোর্সমানি দিয়ে চলেন। তাহলে বোঝা যায় বর্তমান মন্ত্রিসভা সোর্সমানি সঙ্গে জড়িত। এমনটাই দাবি করলেন প্রাক্তন বিধায়ক সুধন দাস।

সম্পরকিত প্রবন্ধ

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য